কৃষ্ণ যদি সর্বাকর্ষণ হন, তাহলে সবাই তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয় না কেন?

শাস্ত্রে শ্রীকৃষ্ণকে বলা হয়েছে ‘সর্বাকর্ষণ’। এই শব্দটি শুধু একটি উপাধি নয়, এর মধ্যে লুকিয়ে আছে ভগবানের একটি মৌলিক পরিচয়। ‘কৃষ্ণ’ শব্দের একটি অর্থ হলো—যিনি সকলকে নিজের দিকে আকর্ষণ করেন। তিনি শুধু মানুষের নন, সমগ্র জীবজগতের হৃদয়ের কেন্দ্র।

কিন্তু এখানেই একটি প্রশ্ন জন্ম নেয়।

যদি কৃষ্ণ সত্যিই সর্বাকর্ষণ হন, তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ তাঁর প্রতি সমানভাবে আকৃষ্ট হয় না কেন? কেন একজন কৃষ্ণনাম শুনে অশ্রুসিক্ত হন, আর অন্যজন তাঁর নাম শুনেও কোনো অনুভূতি পান না? এই পার্থক্যের কারণ — কৃষ্ণে, নাকি আমাদের হৃদয়ে।

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে শুধু যুক্তি যথেষ্ট নয়, শাস্ত্রের আলোও প্রয়োজন। কারণ এই প্রশ্ন নতুন নয়। যুগে যুগে বহু সাধক নিজের হৃদয়কে সামনে রেখেই এর উত্তর খুঁজেছেন।

একজন মাতাজি তুলসীর জপমালা হাতে হরিনাম জপ করছেন। সামনে পাথরের হৃদয় সোনালি আলোয় কোমল হৃদয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে, যা কৃষ্ণনামের আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক।

বৈষ্ণব শাস্ত্রে বারবার বলা হয়েছে, শ্রীকৃষ্ণের নাম, রূপ, গুণ ও লীলা স্বভাবতই মধুর। তাঁর নাম কেবল উচ্চারণের জন্য কয়েকটি অক্ষর নয়, ভক্তি-পরম্পরার ব্যাখ্যায় এটি তাঁরই দিব্য প্রকাশ।

এই কারণেই আচার্যরা বলেন, আন্তরিকভাবে উচ্চারিত হরিনাম মানুষের অন্তরকে পরিবর্তন করার শক্তি রাখে।

কিন্তু এখানেই একজন সাধারণ মানুষের মনে, আরেকটি প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক।

যদি কৃষ্ণনামের এমন শক্তি থাকে, তাহলে আমার হৃদয় কেন বদলায় না? কেন বছরের পর বছর নাম জপ করেও অনেকের চোখে প্রেমের অশ্রু আসে না? কেন ভক্তির কথা শুনেও হৃদয় আগের মতোই কঠিন থেকে যায়?

প্রশ্নগুলো অস্বস্তিকর। কিন্তু এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ঝাড়িখণ্ড অরণ্যে হরিনাম সংকীর্তন করছেন। তাঁর চারপাশে বাঘ, হাতি, হরিণ ও অন্যান্য বন্য প্রাণী আনন্দে নৃত্য করছে।

এই প্রসঙ্গে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের একটি ঘটনা, বৈষ্ণব সাহিত্যে বিশেষভাবে উল্লেখিত হয়েছে।

বৃন্দাবনের পথে মহাপ্রভু এক সময়, ঝাড়িখণ্ডের ঘন অরণ্যের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন। সেই বন ছিল হিংস্র বন্যপ্রাণীতে পরিপূর্ণ। বাঘ, হাতি, হরিণ—প্রকৃতির এক ভয়ংকর অথচ বিস্ময়কর পরিবেশ।

সাধারণ পথিকের কাছে এমন বন ভয়ের কারণ হতে পারত। কিন্তু মহাপ্রভুর চেতনা তখন অন্য জগতে নিবিষ্ট। তিনি কৃষ্ণনামে নিমগ্ন, কৃষ্ণপ্রেমে বিভোর।

পথ চলতে চলতে তাঁর সামনে পড়ল কয়েকটি বিশাল বাঘ। সেই বাঘ গুলো তারা পথের ওপর শুয়ে ছিল।

মহাপ্রভু থামলেন না।

তিনি ভীতও হলেন না।

প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, তাঁর চরণ একটি বাঘের দেহ স্পর্শ করতেই বাঘটির ঘুম ভেঙে যায়। যে প্রাণীকে মানুষ স্বভাবতই হিংস্র বলে জানে, সে আক্রমণ করল না। বরং মহাপ্রভু তাকে স্নেহভরে হরিনাম উচ্চারণ করতে বললেন।

এরপর যা ঘটেছিল, তা সাধারণ যুক্তির সীমা অতিক্রম করে আধ্যাত্মিক সাহিত্যের এক অনন্য অধ্যায় হয়ে আছে।

বর্ণিত হয়েছে, সেই বাঘ কৃষ্ণনাম উচ্চারণ করতে করতে আনন্দে নৃত্য করতে শুরু করল।

শুধু একটি বাঘ নয়। আশপাশের অন্যান্য প্রাণীর মধ্যেও অদ্ভুত পরিবর্তন দেখা দিল। হরিণ এসে বাঘের পাশে দাঁড়াল। হাতিরাও শান্ত হয়ে গেল। যে প্রাণীরা স্বভাবতই একে অপরের শত্রু, তারা সেই মুহূর্তে একই নামের আনন্দে একত্রিত হলো।

বৈষ্ণব পরম্পরায় এই ঘটনাকে, কৃষ্ণপ্রেমের অলৌকিক প্রভাব হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।

এখন একটি প্রশ্ন হলো, যা আমাদের নিজেদের দিকেই ফিরে আসে।

ঝাড়িখণ্ডের এই ঘটনা পড়ে বিস্মিত হওয়া সহজ।

কিন্তু তার চেয়েও জরুরি একটি প্রশ্ন নিজেকে করা।

যদি একটি হিংস্র বাঘ কৃষ্ণনামের প্রভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, তাহলে আমার হৃদয় কেন সেই পরিবর্তন অনুভব করছে না?

যদি বনের পশুও কৃষ্ণপ্রেমে সাড়া দিতে পারে, তাহলে আমি কেন পারছি না?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই বৈষ্ণব আচার্যরা মানুষের অন্তরের একটি গভীর সমস্যার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা বলেছেন, কৃষ্ণের আকর্ষণে কোনো ঘাটতি নেই। অনেক সময় ঘাটতি থেকে যায় সেই হৃদয়ে, যে হৃদয় সেই আকর্ষণ গ্রহণ করার ক্ষমতা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেছে।

কিন্তু কেন এমন হয়?

শাস্ত্র এই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছে। 

এখন প্রশ্ন হলো – হৃদয় কি সত্যিই পাথরের মতো কঠিন হয়ে যেতে পারে?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের প্রথমেই একটি ভুল ধারণা দূর করতে হবে।

অনেকেই মনে করেন, কৃষ্ণকে অনুভব করতে না পারার অর্থ—হয়তো কৃষ্ণ তাঁর প্রতি কৃপা করছেন না। কিন্তু বৈষ্ণব দর্শন এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করে না। শাস্ত্রের ভাষায়, সমস্যা ভগবানের দিকে নয়, সমস্যা মানুষের অন্তরে।

কৃষ্ণকে যদি সত্যিই ‘সর্বাকর্ষণ’ বলা হয়, তাহলে তিনি প্রত্যেক জীবকেই নিজের দিকে আকর্ষণ করছেন। কারণ তিনি কারও শত্রু নন, আবার কারও প্রতি পক্ষপাতও করেন না। তাঁর কৃপা কোনো নির্দিষ্ট মানুষের জন্য সীমাবদ্ধ নয়।

তাহলে কেন আমরা সেই আকর্ষণ অনুভব করতে পারি না?

এই প্রশ্নের উত্তর বোঝাতে আচার্যরা একটি সহজ অথচ গভীর উপমা দিয়েছেন।

একটি শক্তিশালী চুম্বকের সামনে যদি একটি পরিষ্কার লোহার টুকরো রাখা হয়, সেটি সহজেই চুম্বকের দিকে টেনে যায়। এটি তার স্বাভাবিক ধর্ম।

কিন্তু একই লোহা যদি বছরের পর বছর মরিচায় ঢেকে যায়, তখন চুম্বকের আকর্ষণ আগের মতো অনুভূত হয় না। এতে চুম্বকের শক্তি কমে যায়নি, বরং পরিবর্তন হয়েছে লোহার অবস্থায়।

মানুষের হৃদয়ের ক্ষেত্রেও শাস্ত্র ঠিক এমনই একটি চিত্র তুলে ধরে।

জীবাত্মা স্বভাবতই ভগবানের দিকে আকৃষ্ট হওয়ার কথা। কারণ শাস্ত্রের ভাষায়, জীব তাঁরই অংশ। কিন্তু জন্মের পর জন্ম কামনা, অহংকার, ঈর্ষা, ভোগের আকাঙ্ক্ষা এবং অপরাধের স্তর হৃদয়কে এমনভাবে আচ্ছাদিত করে যে, সেই স্বাভাবিক আকর্ষণ আর অনুভূত হয় না।

অভাব কৃষ্ণের আকর্ষণে নয়।

অভাব আমাদের গ্রহণ করার ক্ষমতায়।

শাস্ত্র ‘অপরাধ’ বলতে কী বোঝায়?

এখানে ‘অপরাধ’ শব্দটি শুধু সাধারণ ভুল বা পাপের অর্থে ব্যবহৃত হয়নি।

বৈষ্ণব শাস্ত্রে অপরাধ বলতে এমন আচরণকে বোঝানো হয়েছে, যা মানুষের হৃদয়কে ভক্তি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

যেমন:

  • ভগবানের প্রতি অবজ্ঞা
  • ভক্তদের অপমান
  • হরিনামকে সাধারণ শব্দ মনে করা
  • অথবা শ্রীধামকে কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান হিসেবে দেখা

আচার্যরা বলেন, এই মনোভাবগুলো ধীরে ধীরে মানুষের অন্তরকে সংবেদনহীন করে তোলে। তখন মানুষ নাম জপ করে, শাস্ত্রও পড়ে, কিন্তু হৃদয়ের গভীরে কোনো পরিবর্তন অনুভব করে না।

ইতিহাস অন্তত সে কথা বলে না।

জগাই-মাধাইয়ের জীবন তার প্রমাণ।

দস্যু রত্নাকর একদিন মহর্ষি বাল্মীকিতে পরিণত হয়েছিলেন।

অজামিলের জীবনও বৈষ্ণব সাহিত্যে কৃপার একটি অনন্য উদাহরণ।

এই ঘটনাগুলোর উদ্দেশ্য শুধু অলৌকিক কাহিনি বলা নয়। এগুলো আমাদের একটি বিষয় মনে করিয়ে দেয়—মানুষ যতই পতিত হোক না কেন, ভগবানের কৃপার দরজা তার জন্য বন্ধ হয়ে যায় না।

তাহলে পার্থক্য কোথায়?

পার্থক্য মানুষের হৃদয়ের অবস্থায়।

যখন একজন মানুষ নিজের অহংকারকে সত্য বলে আঁকড়ে ধরে, তখন সে কৃপাকে অস্বীকার না করেও তার স্পর্শ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। আবার যখন সে বিনয়ের সঙ্গে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে, তখন সেই একই কৃপা তার জীবনে কার্যকর হয়ে ওঠে।

এই কারণেই বৈষ্ণব আচার্যরা শুধু নাম জপের কথা বলেননি, নাম জপের সঙ্গে বিনয়, ভক্তসেবা এবং অপরাধ বর্জনের কথাও সমান গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন।

কারণ হৃদয় প্রস্তুত না হলে, অমৃতও অনেক সময় স্বাদহীন মনে হয়।

আর হৃদয় প্রস্তুত হলে, একটি মাত্র আন্তরিক ‘হরে কৃষ্ণ’ উচ্চারণও মানুষের জীবনকে নতুন পথে নিয়ে যেতে পারে।

অনেক মানুষ মনে মনে একটি অভিযোগ বয়ে বেড়ান—’আমি এতদিন ধরে নাম জপ করছি, তবুও কৃষ্ণকে অনুভব করতে পারছি না।’

এই অনুভূতি নতুন নয়। যুগে যুগে বহু সাধক নিজের হৃদয়কে এমন প্রশ্ন করেছেন। কিন্তু বৈষ্ণব দর্শন এই প্রশ্নের উত্তর এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেয়।

কৃষ্ণ তাঁর কৃপা ফিরিয়ে নিয়েছেন—শাস্ত্র এমন কথা কোথাও বলে না।

বরং বলা হয়েছে, তিনি প্রতিটি জীবের অন্তরে অবস্থান করছেন, প্রতিটি জীবের প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় আছেন।

তাহলে আমরা তাঁর উপস্থিতি অনুভব করতে পারি না কেন?

একটি সহজ দৃশ্য কল্পনা করুন।

একজন মাতাজি বৃষ্টির মধ্যে চোখ বন্ধ করে দুই হাত প্রসারিত করে কৃষ্ণের কৃপা অনুভব করছেন। মেঘের ফাঁক দিয়ে সোনালি আলো নেমে এসেছে এবং দূরে শ্রীকৃষ্ণের মৃদু আভা দেখা যাচ্ছে।

প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। মাঠ ভিজছে, নদী ভিজছে, গাছের পাতা ভিজছে। প্রকৃতিতে কোথাও বৃষ্টির অভাব নেই। কিন্তু একজন মানুষ শক্ত ছাদের নিচে দাঁড়িয়ে বলছে, “আমি তো ভিজছি না।”

এতে কি বৃষ্টির কোনো দোষ আছে?

অবশ্যই নয়।

বৃষ্টি পড়ছে, কিন্তু সে নিজেই এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে বৃষ্টির ফোঁটা পৌঁছাতে পারে না।

বৈষ্ণব আচার্যরা বলেন, মানুষের অবস্থাও অনেক সময় এমন হয়ে যায়। ভগবানের কৃপা থেমে থাকে না, কিন্তু অহংকার, আত্মপ্রবঞ্চনা এবং অপরাধের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকলে সেই কৃপা হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারে না।

আরও একটি উপমা বিষয়টিকে স্পষ্ট করে।

সূর্য প্রতিদিন আলো দেয়। সে কখনো হিসাব করে আলো দেয় না—কে ভালো, কে মন্দ, কে পাপী, কে পুণ্যবান।

কিন্তু যদি কেউ নিজের ঘরের সব দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখে, তাহলে ঘরের ভেতর অন্ধকারই থাকবে।

তখন যদি সে বলে, “সূর্য আমাকে আলো দিচ্ছে না”—তবে অভিযোগটি কি সত্য হবে?

সমস্যা সূর্যের আলোয় নয়, সমস্যা হলো বন্ধ দরজায়।

শাস্ত্রের ভাষায়, মানুষের হৃদয়ও তেমনই। ভগবানের কৃপা কখনো নিঃশেষ হয় না, কিন্তু হৃদয়ের দরজা যদি অহংকার, অবজ্ঞা কিংবা নাম-অপরাধে বন্ধ হয়ে যায়, তবে সেই আলো ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পায় না।

এই প্রশ্নের উত্তরও শাস্ত্র অত্যন্ত সরলভাবে দিয়েছে।

প্রথমত, ভগবান ও তাঁর ভক্তদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

দ্বিতীয়ত, হরিনামকে সাধারণ শব্দ মনে না করে ভক্তিভরে জপ করা।

তৃতীয়ত, নিজের ভুল স্বীকার করার সাহস অর্জন করা।

আধ্যাত্মিক জীবনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন অনেক সময় তখনই শুরু হয়, যখন মানুষ নিজের দুর্বলতার জন্য অন্যকে দোষ দেওয়া বন্ধ করে।

যে হৃদয় একদিন বিনয়ের সঙ্গে বলে, “হে কৃষ্ণ, আমি পথ হারিয়েছি। আপনার আশ্রয় ছাড়া আমার আর কোনো গতি নেই”—সেই হৃদয়েই পরিবর্তনের সূচনা ঘটে।

শ্রীকৃষ্ণকে ‘সর্বাকর্ষণ’ বলা হয়েছে কারণ তাঁর আকর্ষণে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। তিনি আজও প্রতিটি জীবকে নিজের দিকে ডাকছেন। তাঁর প্রেম আজও সমানভাবে উন্মুক্ত।

তবু সবাই সেই আহ্বান শুনতে পারে না।

কারণ, আকর্ষণের অভাব কৃষ্ণের মধ্যে নয়, অনেক সময় বাধা তৈরি হয় আমাদের নিজের হৃদয়ে।

হয়তো সেই কারণেই ঝাড়িখণ্ডের বাঘের কাহিনি আজও আমাদের ভাবিয়ে তোলে। যে প্রাণীকে আমরা হিংস্রতার প্রতীক মনে করি, সেও কৃষ্ণনামে সাড়া দিয়েছিল। সেই কাহিনি অন্যের অলৌকিক পরিবর্তনের গল্প নয়, এটি আমাদের নিজের হৃদয়কে প্রশ্ন করার আহ্বান।

আমি কি সত্যিই কৃষ্ণ থেকে দূরে?

নাকি আমার হৃদয়ই তাঁর আহ্বান শোনার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে?

এই প্রশ্নের উত্তর অন্য কেউ দিতে পারবে না।

প্রতিটি মানুষকে একদিন নিজের হৃদয়ের সামনেই দাঁড়িয়ে সেই উত্তর খুঁজে নিতে হবে।

Leave a Comment